মার্কিন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC) একটি সাহসী পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। তারা ব্লকচেইন-ভিত্তিক কোম্পানির শেয়ারগুলোকে ক্রিপ্টো এক্সচেঞ্জে ট্রেডের অনুমতি দিতে পারে। এতে বিনিয়োগকারীরা শীঘ্রই বিটকয়েনের মতো শেয়ার টোকেন কিনতে পারবেন।
এই শেয়ার টোকেনগুলো আসল পাবলিক কোম্পানির শেয়ারের প্রতিনিধিত্ব করে। একে বলা হয় টোকেনাইজেশন — প্রচলিত সম্পদকে ব্লকচেইনে ডিজিটাল টোকেনে রূপান্তর করা।*
SEC চেয়ারম্যান পল অ্যাটকিনস টোকেনাইজেশনকে “ইনোভেশন” বলে উল্লেখ করেছেন। তার মতে, নিয়ন্ত্রকদের উচিত বাজারের উন্নয়নকে উৎসাহিত করা, বাধা দেওয়া নয়। টোকেনাইজড সম্পদ বিনিয়োগকে সস্তা করতে এবং আরও মানুষের কাছে সহজলভ্য করতে পারে।
বড় খেলোয়াড়রা ইতিমধ্যেই এগিয়ে এসেছে। রবিনহুড ও ক্র্যাকেন টোকেনাইজড শেয়ার পণ্য চালু করেছে। নাসডাক তালিকাভুক্তির অনুমতি চাইছে। কয়েনবেসও অনুমোদনের চেষ্টা করছে।
তবে সবাই খুশি নয়। সিটাডেল সিকিউরিটিজ সতর্ক করেছে যে টোকেনাইজেশনকে অবশ্যই বাস্তব সুবিধা দিতে হবে, শুধু নিয়ন্ত্রক ফাঁকফোকর কাজে লাগানো নয়।
বাজার এখনও ছোট, কিন্তু দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে টোকেনাইজড সম্পদের মাত্র ২% শেয়ার, কিন্তু গত ১০০ দিনে এদের মূল্য প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। বাইন্যান্সের হিসাবে, বৈশ্বিক শেয়ারের মাত্র ১% ব্লকচেইনে আনা হলে বাজারের আকার ১.৩ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে।
*টোকেনাইজেশন = ব্লকচেইনে ডিজিটাল টোকেন তৈরি করা যা শেয়ার, বন্ড বা সম্পত্তির মতো বাস্তব সম্পদের মালিকানা প্রদর্শন করে।
