ইউরোপীয় সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল ইউরো প্রকল্পে নতুন ধাপে প্রবেশ করছে। ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে ১২ মাসের একটি পাইলট কর্মসূচি শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।
২০২৬ সালের প্রথম প্রান্তিকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের লাইসেন্সপ্রাপ্ত পেমেন্ট সেবা প্রদানকারীদের নির্বাচন করা হবে। সীমিত সংখ্যক ব্যাংক ও ব্যবসায়ী এতে অংশ নেবে।
এই পরীক্ষার মূল লক্ষ্য হলো বাস্তব লেনদেনে ডিজিটাল ইউরো কীভাবে কাজ করে তা মূল্যায়ন করা। ব্যবহারকারী নিবন্ধন, লেনদেন নিষ্পত্তি এবং তারল্য ব্যবস্থাপনা এখানে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।
ইসিবি চায় ব্যাংকগুলো পেমেন্ট ব্যবস্থার কেন্দ্রে থাকুক। বর্তমানে ইউরোপ Visa ও Mastercard-এর মতো আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের উপর অনেকটাই নির্ভরশীল। ডিজিটাল ইউরোকে ইউরোপের আর্থিক স্বনির্ভরতা জোরদারের পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের জন্য নির্ধারিত ফি আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্কের তুলনায় কম হবে, তবে স্থানীয় ব্যবস্থার তুলনায় কিছুটা বেশি থাকবে। এতে প্রতিযোগিতামূলক ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।
যদি ২০২৬ সালে প্রয়োজনীয় আইন পাস হয়, তাহলে ২০২৯ সালে পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা সম্ভব হতে পারে।
