পাকিস্তান ঘোষণা দিয়েছে—বিটকয়েন মাইনিং এবং এআই উন্নয়নের জন্য ২০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ বরাদ্দ দেবে।
একটা বিদ্যুৎ-সংকটের দেশ, এবার ডিজিটাল উদ্ভাবনে বাজি ধরেছে!
IMF সঙ্গে সঙ্গে উদ্বিগ্ন। কারণ? পাকিস্তান কোনো অনুমতি নেয়নি। আর বিটকয়েন তো IMF-এর নিয়ন্ত্রণের বাইরে।
IMF বলছে: “বিদ্যুৎ নেই, অথচ বিটকয়েন মাইনিং!”
কিন্তু পাকিস্তানের পরিকল্পনা হচ্ছে অপচয় হওয়া অতিরিক্ত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা।
এই বিদ্যুৎ দিয়ে বিটকয়েন মাইনিং করে অর্থনীতিতে চাঙা ভাব আনা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বৈদেশিক ঋণ নির্ভরতা কমানো যাবে।
IMF এরকম বিকল্পকে পছন্দ করে না।
ডিজিটাল ভবিষ্যৎ বনাম পুরানো IMF চিন্তা
IMF এখনো একই পুরনো উপদেশ দেয় — খরচ কাটো, ঋণ নাও।
অথচ বিটকয়েন বা ক্রিপ্টো দেশগুলোকে বিকল্প পথ দেখাচ্ছে।
এল সালভাদোর শুরু করেছিল, এবার পাকিস্তান এগিয়ে এসেছে।
IMF বলে: “বিটকয়েন ব্যবহার করো না।”
অর্থাৎ গরিব থাকো, কন্ট্রোলে থাকো — এটাই কি বার্তা?
শুধু কথা নয়, কাজেও নেমেছে পাকিস্তান
পাকিস্তান নিজেদের সরকারি বিটকয়েন ওয়ালেট চালু করেছে এবং PDAA (ডিজিটাল অ্যাসেট অথরিটি) গঠন করেছে।
এটা স্টেবলকয়েন, টোকেনাইজড অ্যাসেট ইত্যাদির রেগুলেশন করবে।
এমনকি Binance-এর CZ-কে উপদেষ্টা হিসেবেও নিয়েছে!
IMF পিছিয়ে পড়ছে
IMF যখন Zoom মিটিং-এ ব্যস্ত, পাকিস্তান তখন Bitcoin 2025 (লাস ভেগাস) কনফারেন্সে তাদের জাতীয় বিটকয়েন স্ট্র্যাটেজি ও রিজার্ভ প্রকাশ করে ফেলেছে।
স্পষ্ট বার্তা: অনুমতির যুগ শেষ।
