Meta তাদের $72 বিলিয়ন রিজার্ভে বিটকয়েন রাখার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে। ভোটের ফলাফল? ১,২২১ বনাম ১। ধাক্কা লেগে গেল 😬
Microsoft আগেও একই রকম প্রস্তাব বাতিল করেছিল। বড় টেক কোম্পানিগুলো এখনো বিটকয়েনকে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করে।
কর্পোরেট রিজার্ভ জরুরি তহবিল—ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগের জন্য নয়।
NYU-এর প্রফেসর ডামোডারান এটিকে “পাগলামি” বলে আখ্যা দিয়েছেন। তার মতে, BTC রাখা অযৌক্তিক।
ব্লকচেইনপন্থী Duke-এর প্রফেসর হার্ভিও বলেন, বিনিয়োগকারী চাইলে নিজের BTC কিনতে পারে।
Stablecoin ঠিক আছে—ডলারের সঙ্গে যুক্ত, তাই স্থিতিশীল। কিন্তু বিটকয়েন? রোলার কোস্টার 🎢
Strategy কোম্পানি ২০২০ সালে BTC কিনে তাদের শেয়ার ২৪৬৬% বাড়িয়ে ফেলে! কিন্তু এটা রিজার্ভ নয়, একটি কৌশলগত বিনিয়োগ।
Meta এখনো ক্যাশে বসে আছে, যেখানে উপার্জন নামমাত্র। অনেকেই বলেন, কিছু বিটকয়েন রাখুন—মুদ্রাস্ফীতির হাত থেকে বাঁচতে।
CoinShares-এর Butterfill বলেন, BTC-তে ৩% বিনিয়োগ Sharpe Ratio দ্বিগুণ করতে পারে।*
(*Sharpe Ratio: ঝুঁকির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ মুনাফা মাপার স্কেল।)
CoinShares-এর মতে, ডিজিটাল সম্পদ বরাদ্দ ৬ মাসে ১% থেকে ১.৮%-এ বেড়েছে।
Meta-এর ভোট দেখায় তারা এখনো সতর্ক। তবে Zuckerberg-এর কাছে ৬১% ভোট আছে—এই ভোট আসলে একতরফা।
প্রতিটি কোম্পানির দৃষ্টিভঙ্গি আলাদা। কেউ BTC কিনছে, কেউ দূরে থাকছে। BlackRock এখন ২% BTC বরাদ্দের পরামর্শ দিচ্ছে।
কোরিয়া এবং ফ্রান্সের কোম্পানিগুলো মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছে BTC-তে।
Butterfill জানালেন, ২০২৫ সালে এখন পর্যন্ত ৭২টি কোম্পানি বিটকয়েন কিনেছে। তবে অনেকেই শেয়ার দাম বাড়াতেই এমনটা করেছে।
Tesla করেছে। এখন প্রশ্ন—পরের বড় কোম্পানি কে?
আর হ্যাঁ, বিটকয়েন Meta-র চেয়ে গত দুই মাসে কম ভোলাটাইল ছিল। ভাবা যায়?
