ইরানে হামলায় বাজারে তোলপাড়, বিনিয়োগকারীরা পোর্টফোলিও পাল্টাচ্ছে

বিশ্ববাজারে বিশাল আলোড়ন দেখা দিয়েছে।

ইরানের পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা বিনিয়োগকারীদের আতঙ্কিত করেছে।

Devere-এর CEO নাইজেল গ্রিন বলেন, “সস্তা তেল ও কম মুদ্রাস্ফীতির ধারণা এখন ভেঙে গেছে।”

ভোলাটিলিটি বেড়েছে, তেলের দাম হু হু করে উঠেছে। সবাই সোনা, জ্বালানি, এবং প্রতিরক্ষা খাতে ছুটছে।

তেলের দাম = আরও মুদ্রাস্ফীতি?
ইরান যদি প্রতিশোধ নেয় এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়, তবে ব্রেন্টের দাম $130 পর্যন্ত যেতে পারে।

এর ফলে বৈশ্বিক মুদ্রাস্ফীতি আরও বাড়তে পারে।

সেন্ট্রাল ব্যাংকের সুদের হার কমানোর পরিকল্পনাও মুখ থুবড়ে পড়তে পারে।

গ্রিন বলেন, “তেলের দাম বাড়লে, সুদ কমানো সম্ভব হবে না—বরং বাড়তেও পারে।”

টেক বিদায়, অস্ত্র স্বাগত
বিনিয়োগকারীরা প্রযুক্তি থেকে পিছু হটছে।

তারা এখন তেল, প্রতিরক্ষা এবং জাতীয় নিরাপত্তা খাতে বিনিয়োগ করছে।

যেহেতু অনেক দেশ প্রতিরক্ষা বাজেট বাড়াচ্ছে, অস্ত্র এবং নজরদারি সংস্থাগুলি লাভে থাকবে।

সোনা, বন্ড ও ডলার
সোনার চাহিদা বেড়েছে। মুদ্রাস্ফীতির সাথে যুক্ত বন্ডও জনপ্রিয়।

ডলার কিছুটা বাড়তে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিপূর্ণ।

গ্রিন বলেন, “এটা ২০১৯ নয়। এখন সিস্টেম অনেক বেশি ভঙ্গুর।”

এখনই সিদ্ধান্ত নিন
গ্রিন শেষ কথা বলেন, “বুদ্ধিমানরা ইতিমধ্যে পজিশন নিচ্ছে।

যারা অপেক্ষা করছে, তারা শেষ পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত হবে।”