২০২৬ সালের শুরুতে কিছু Ledger গ্রাহকের অর্ডার তথ্য ফাঁস হয়।
এই ঘটনা Ledger ওয়ালেটের নয়, একটি বাইরের ই-কমার্স পার্টনারের মাধ্যমে ঘটে।
তবুও ব্যবহারকারীরা সরাসরি প্রতারণার ঝুঁকিতে পড়ে।
আসল ঝুঁকির উৎস
অর্ডার প্রসেসকারী প্রতিষ্ঠান নাম ও ঠিকানা সংরক্ষণ করে।
এই তথ্য দিয়ে প্রতারকরা বিশ্বাসযোগ্য বার্তা বানায়।
মানুষের আস্থা এখানে মূল লক্ষ্য।
ফিশিং কীভাবে কাজ করে
বার্তায় জরুরি সমস্যা দেখানো হয়।
ভুয়া লিঙ্কে ক্লিক করতে বলা হয়।
শেষে রিকভারি ফ্রেজ চাওয়া হয়।
অপরিবর্তনীয় নিরাপত্তা নিয়ম
Ledger কখনোই ২৪ শব্দের রিকভারি ফ্রেজ চায় না।
এটি শুধু ডিভাইসেই ব্যবহার করতে হয়।
সন্দেহ হলে অফিসিয়াল চ্যানেলে যাচাই করুন।
