নেদারল্যান্ডসের পার্লামেন্ট তরল সম্পদ ও ক্রিপ্টোকারেন্সির ওপর ৩৬% কর আরোপের প্রস্তাব এগিয়ে নিয়েছে। অনেক তরুণ বিনিয়োগকারী মনে করেন, নীতিনির্ধারকরা সাধারণ ট্রেডারদের বড় বিনিয়োগ প্রতিষ্ঠানের মতো বিবেচনা করছেন। ডিজিটাল অর্থনীতিতে নতুন প্রজন্মের অংশগ্রহণ বাড়লেও এই ধরনের কর নীতিকে বাস্তবতা থেকে বিচ্ছিন্ন বলে সমালোচনা করা হচ্ছে।
সবচেয়ে বড় বিতর্ক হলো অনরিয়ালাইজড লাভের ওপর কর আরোপ। বিনিয়োগকারীরা সম্পদ বিক্রি না করলেও কর দিতে হতে পারে। ক্রিপ্টো বাজারের অস্থিরতার কারণে এটি বিনিয়োগকারীদের বাধ্য করতে পারে ক্ষতির সময়েও সম্পদ বিক্রি করতে। বিশ্লেষকদের মতে, এই নীতি বাজারে অস্থিরতা ও অনিশ্চয়তা বাড়াতে পারে।
শিল্প বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে কঠোর কর নীতি পুঁজি ও প্রযুক্তি উদ্যোক্তাদের অন্য দেশে চলে যেতে বাধ্য করতে পারে। অতীতে এমন কর ব্যবস্থার কারণে বহু স্টার্টআপ দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়েছিল। ব্লকচেইন সম্প্রদায় মনে করে অনেক রাজনীতিবিদ এখনও ডিজিটাল ফাইন্যান্সের দ্রুত পরিবর্তনশীল বাস্তবতা বুঝতে পারছেন না।
দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ বিশ্লেষণ দেখায় যে নতুন কর ব্যবস্থা কয়েক দশকের সঞ্চিত লাভ কমিয়ে দিতে পারে। এতে নতুন বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমতে পারে এবং দেশের উদ্ভাবনী পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বর্তমান বিতর্ক কেবল কর নয়, বরং আধুনিক অর্থনীতি ও পুরনো নীতির সংঘর্ষও তুলে ধরছে।
